মাটির মালিকানা।
প্রকৃতির প্রশান্তি।
একসাথে আগামীর সমৃদ্ধি।
বগুড়ার ৩০ বিঘা জমিতে সমন্বিত কৃষি খামার, আন্তর্জাতিক মানের এগ্রো রিসোর্ট, নিরাপদ খাদ্য এবং সমাজকল্যাণ—সবকিছুর একটি শরীয়াহভিত্তিক অংশীদারিত্ব।
বাস্তব সম্পত্তি
জমির আইনগত মালিকানা
হালাল আয়
বাস্তব উৎপাদন ও সেবা থেকে
আমরা শুধু ফসল ফলাচ্ছি না—আগামী প্রজন্মের জন্য গড়ে তুলছি এক সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ।
একটি খামার নয়,
একটি জীবন্ত কমিউনিটি
সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ৩০ বিঘা জমিজুড়ে বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি-বেইজড এগ্রো ট্যুরিজম ও সমন্বিত কৃষি খামার প্রকল্প। এখানে কৃষি, অবকাশ, নিরাপদ খাদ্য এবং মানবকল্যাণ একই টেকসই চক্রে যুক্ত।
বিনিয়োগকারী, কৃষক ও পর্যটককে একটি অংশীদারিত্বভিত্তিক কৃষি কমিউনিটিতে যুক্ত করা।
নিরাপদ খাদ্য, গ্রামীণ পর্যটন, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন গড়ে তোলা।
মাটি, মানুষ ও সম্ভাবনা—
চোখের সামনে জীবন্ত
এই চলমান দৃশ্যেই দেখুন খামারের প্রকৃতি, প্রতিদিনের কাজ এবং স্বপ্ন গড়ে তোলা মানুষদের। আপনি এই অংশে এলেই ভিডিওটি নিজে থেকে চলবে—কোনো শব্দ বা ক্লিকের প্রয়োজন নেই।
বাংলাদেশ থেকে
সুখের খামার—চার ধাপে
দেশের মানচিত্রে একটি জেলা, জেলার ভেতর একটি উপজেলা, তারপর একটি গ্রাম—প্রতিটি ধাপে কাছে আসুন এবং দেখুন কোথা থেকে শুরু হয়েছে এই সবুজ কমিউনিটির যাত্রা।
খামার থেকে অবকাশ—সবই একই বাস্তুতন্ত্রে
প্রতিটি উদ্যোগ অন্যটিকে শক্তিশালী করে—উৎপাদন, পর্যটন, বাজার এবং সমাজকল্যাণের একটি পূর্ণাঙ্গ মডেল।
আধুনিক সমন্বিত কৃষি খামার
প্রাণিসম্পদ, মৎস্য, পলিনেট হাউজে বিষমুক্ত সবজি ও ফল—একটি দক্ষ, পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনায়।
এগ্রো রিসোর্ট
প্রকৃতির মাঝে পরিবার নিয়ে থাকা, স্থানীয় খাবার ও হাতে-কলমে কৃষির অভিজ্ঞতা।
মসজিদ, মাদ্রাসা ও ফাউন্ডেশন
ধর্ম, শিক্ষা ও অনাথ শিশুদের কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি মানবিক উদ্যোগ।
সুখের বাজার
খামারের খাঁটি, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পণ্য সরাসরি আপনার দোরগোড়ায়।
বাজারে যান ↗শুধু বিনিয়োগ নয়—
নিজস্ব জমি, খামার ও অবকাশ
মাত্র ৩,৪৫,০০০ টাকায় একটি শেয়ারের মাধ্যমে সুখের খামার এগ্রো ভিলেজের বাস্তব সম্পত্তি ও আয়-উৎপাদনকারী উদ্যোগে অংশীদার হওয়ার সুযোগ।
* মুনাফা প্রকৃত ব্যবসায়িক ফলাফলের ভিত্তিতে বণ্টিত হবে; কোনো নির্দিষ্ট রিটার্নের নিশ্চয়তা নয়।
প্রকল্পের একটি শেয়ারের দীর্ঘমেয়াদি মালিকানা।
সাফ কবলা দলিলসহ ৩০ বিঘা জমির একাংশ।
প্রতি বছর নিজস্ব এগ্রো রিসোর্টে সময় কাটানোর সুযোগ।
খামার ও রিসোর্টের প্রকৃত আয় থেকে শেয়ার অনুপাতে।
খামারের পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়ার সুবিধা।
স্বাস্থ্যপরীক্ষিত পশু সরাসরি খামার থেকে।
মসজিদ, মাদ্রাসা ও ফাউন্ডেশনের সাথে যুক্ত হওয়া।
নীতি অনুযায়ী শেয়ার বিক্রি বা স্থানান্তরের সুযোগ।
বিশ্বাসের ভিত্তি—স্বচ্ছ ও শরীয়াহসম্মত কাঠামো
কাগুজে প্রতিশ্রুতি নয়—বাস্তব সম্পদ, বাস্তব উৎপাদন, হিসাবনির্ভর মুনাফা এবং সবার ন্যায্য ঝুঁকি ভাগাভাগি।
০১অংশীদারিত্ব ও বাস্তব সম্পত্তির মালিকানা
বিনিয়োগকারী মূলধন এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও ব্যবস্থাপনা দেয়। প্রতিটি শেয়ার বাস্তব জমি ও কাঠামোর অংশীদারিত্ব নির্দেশ করে।
০২স্বচ্ছ, হিসাবনির্ভর মুনাফা
মুনাফা প্রকৃত আয় অডিট ও হিসাবের পর শেয়ার অনুপাতে বণ্টিত হয়—অনুমান বা গ্যারান্টিযুক্ত রিটার্নের ভিত্তিতে নয়।
০৩বাস্তব উৎপাদন ও সেবা থেকে আয়
কৃষি, পশুপালন, এগ্রো রিসোর্ট, পর্যটন এবং উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয় প্রকল্পের আয়ের উৎস।
০৪লাভ-ক্ষতির ন্যায্য বণ্টন
লাভ শেয়ার অনুপাতে বণ্টিত হয় এবং ক্ষতির ঝুঁকিও অংশীদাররা শেয়ার অনুপাতে বহন করেন।
০৫শরীয়াহ বোর্ডের তত্ত্বাবধান
চুক্তি, বিনিয়োগ, লেনদেন ও মুনাফা বণ্টন শরীয়াহ বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
০৬ব্যবস্থাপনার নিজস্ব ঝুঁকি ও এক্সিট সুবিধা
প্রকল্প ব্যবস্থাপনা শেয়ারের ২৫% মালিক। নীতিমালা অনুযায়ী বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারেন।
প্রতিটি বিনিয়োগে
মানুষ, মাটি ও প্রকৃতির উন্নয়ন
সুখের খামারের লক্ষ্য এমন একটি চক্র গড়ে তোলা, যেখানে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সাথে পরিবেশ ও স্থানীয় কমিউনিটির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে।
১,০০০+ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও স্বনির্ভর কমিউনিটি গঠন।
জৈবসার ও বিষমুক্ত কৃষির মাধ্যমে উর্বরতা বৃদ্ধি।
সোলার ও বায়োগ্যাসে খামারের শক্তি চাহিদা পূরণ।
রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং ও পানির পুনঃব্যবহার।
সরাসরি বাজার সংযোগ ও স্থানীয় আয়ের সুযোগ বৃদ্ধি।
খামার থেকে ভোক্তার হাতে খাঁটি, মানসম্মত পণ্য।
কৃষির প্রাণকেন্দ্রে
একটি কৌশলগত ঠিকানা
ফসলের মৌসুমের সম্ভাবনা—উর্বর কৃষিজমি
ঢাকা থেকে সড়কপথে আনুমানিক যাত্রা
লিটার দৈনিক দুধ উৎপাদনের আঞ্চলিক সক্ষমতা
মহাস্থানগড়সহ ঐতিহাসিক ও পর্যটন গন্তব্য
উর্বর মাটি, কৃষি ও দুগ্ধের শক্ত ভিত্তি, দক্ষ জনবল এবং উন্নত সড়ক-রেল সংযোগ—সব মিলিয়ে বগুড়া একটি স্বাভাবিক agro-tourism hub।
স্বপ্নের পেছনে আছেন
মাটি-চেনা মানুষ ও বিশেষজ্ঞরা

মোঃ তাসদীখ হাবীব
“স্মার্ট কৃষিই হবে বাংলাদেশের পরবর্তী বিপ্লব।”
২২ বছরের নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা এবং সাত বছরের কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে পথচলা। প্রযুক্তি, মার্কেটিং ও মানবিকতার সমন্বয়ে যুব-বান্ধব কৃষি শিল্প গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য।

জোবায়ের ইসলাম
“আমরা মাটি থেকে শুধু ফসল নয়, ভবিষ্যৎ ফলাতে চাই।”
১৩ বছরের কর্পোরেট ক্যারিয়ার শেষে গ্রামে ফিরে শহুরে বিনিয়োগ ও গ্রামীণ শ্রমকে যুক্ত করে নিরাপদ খাদ্য, কর্মসংস্থান ও সামাজিক কল্যাণের টেকসই মডেল গড়ছেন।
কৃষি, মৎস্য, ইসলামিক ফাইন্যান্স ও পর্যটনে ৩০+ বছরের অভিজ্ঞতা

ড. মো. আলী আসগর খান
সাবেক অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার অ্যাগ্রিকালচার

ড. শরীফ উদ্দিন প্রামাণিক
৩০+ বছরের ইসলামী ব্যাংকিং, ঝুঁকি ও শরীয়াহ অর্থনীতি অভিজ্ঞতা

ড. ডিনেকে কোয়ার্টস
সিনিয়র বিশেষজ্ঞ, PUM নেদারল্যান্ডস

ড. এ.এইচ.এম. কোহিনুর
সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
যারা বিশ্বাস রেখেছেন,
তাদের কথায়
প্রবাস, পেশা বা জীবনযাপন—ভিন্ন জায়গা থেকে আসা মানুষদের একটি অভিন্ন স্বপ্ন: নিজের মাটি, নিরাপদ ভবিষ্যৎ ও অর্থবহ অংশগ্রহণ।
প্রবাসে থেকেও কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প
আমার স্বপ্ন ছিল নিজে একটি খামার ও কৃষি প্রকল্প করব। সুখের খামার এগ্রো ভিলেজে বিনিয়োগ করে সেই স্বপ্ন আজ বাস্তব—প্রবাসে থেকেও আমি এখন একজন গর্বিত কৃষি উদ্যোক্তা।
এক টুকরো জমি, আর অবকাশের জায়গা
এখানে প্রকৃতির মাঝে আমরা দুজন সময় কাটাবো, আর প্যাসিভ আয়ের মাধ্যমে এগিয়ে চলবে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক সুরক্ষা। সুখের খামার আমাদের জন্য শান্তির আরেক নাম।
কেবল অর্থ নয়, সম্ভাবনায় বিনিয়োগ
স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থাপনা আমাকে আস্থা দিয়েছে। তাদের পেশাদারিত্বই বুঝিয়েছে—এই বিনিয়োগ আমার অন্যতম স্মার্ট সিদ্ধান্ত।
ঘরে বসে হালাল আয়ের সুযোগ
এখন আমি নিরাপদ ও বাস্তব একটি প্রকল্পের অংশীদার, যা আমাকে মানসিক শান্তি ও আয়ের সুযোগ—দুটিই দিয়েছে।
বাস্তব মালিকানার অনুভূতি
এটি শুধু কাগজে-কলমে মালিকানা নয়; বাস্তব জমি ও বাস্তব প্রকল্পের দায়িত্বশীল অংশীদার হওয়ার সুযোগ।
আপনার জানার
প্রয়োজনীয় সবকিছু
আরও কোনো প্রশ্ন থাকলে সরাসরি আমাদের টিমের সাথে কথা বলুন।
কল করুন ০১৯১১০৪৬৩৮৩সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ কী?+
বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি-বেইজড কৃষি প্রকল্প, যেখানে ৩০ বিঘা জমিতে সমন্বিত কৃষি, এগ্রো রিসোর্ট, মসজিদ, মাদ্রাসা ও ফাউন্ডেশন একসাথে গড়ে উঠছে।
এখানে বিনিয়োগ করলে আমি কী পাবো?+
জমির মালিকানা, খামার ও এগ্রো রিসোর্টের অংশীদারিত্ব, প্রকৃত আয় থেকে মুনাফায় অংশগ্রহণ এবং মসজিদ-মাদ্রাসা ও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা/দাতা সদস্যপদ।
বিনিয়োগ কতটা নিরাপদ?+
প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী প্রত্যেক বিনিয়োগকারীকে সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে জমির মালিকানা দেওয়া হয় এবং লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলে সম্পন্ন হয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সকল আইনি নথি যাচাই করা উচিত।
বছরে কত লাভ পাওয়া যায়?+
প্রকল্পের লক্ষ্য অনুযায়ী গড়ে বছরে ১৫%–২০% পর্যন্ত রিটার্নের প্রত্যাশা করা হয়েছে; তবে মুশারাকা পদ্ধতিতে মুনাফা প্রকৃত ব্যবসায়িক ফলাফলের উপর নির্ভরশীল, গ্যারান্টিযুক্ত নয়।
আমি চাইলে কি শেয়ার বিক্রি করতে পারবো?+
প্রকল্পের নীতিমালা অনুযায়ী ৩ মাসের নোটিশে অন্য বিনিয়োগকারীর কাছে বা কোম্পানির বাই-ব্যাক প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিক্রির সুযোগ আছে। প্রযোজ্য শর্তাবলি যাচাই করুন।
একটি শেয়ারের মূল্য কত?+
বর্তমানে একটি শেয়ারের মূল্য ৩,৪৫,০০০ টাকা। একজন ব্যক্তি একাধিক শেয়ারের মালিক হতে পারবেন।
সুখের খামার
নিজের চোখে অনুভব করুন
খামার ঘুরে দেখুন, প্রকল্প টিমের সাথে কথা বলুন এবং আপনার পরিবারের জন্য এই কমিউনিটি কেমন হতে পারে—তা জানুন।